ঘর রঙ করার কথা ভাবছেন? কোন দেয়ালে কি রং সুন্দর লাগে তা নিয়ে চিন্তিত?

আপনার বাসা / অফিস কে আপনার মনের মত করে রাঙিয়ে দিতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে “ক্লিকসেবা ইন্টেরিয়র টীম“। স্বপ্ন আপনার, সাজানোর দায়িত্ব  ক্লিকসেবার

প্রয়োজনে অর্ডার করতেঃ- ☎ 01707078003
বাড়ি / ঘরের রঙে প্রভাবিত হবে আপনার মন!
রঙ পরিবেশ পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
একটি সুস্থ এবং সুন্দর বাড়ি তৈরির জন্য কালার সাইকোলজি বা রঙ মনোবিদ্যার ব্যবহার এখন মোটামুটি প্রচলিত। মনোবিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ্যা পরামর্শদাতা, ফেং শুই বিশেষজ্ঞের মতে, আপনার বাড়িতে ব্যবহৃত রংগুলি আপনার মানসিক অবস্থার উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। আর তাই কোন দেয়ালে কি রং সুন্দর লাগে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায় হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

লিভিং রুম– লিভিং রুমে নান্দনিকতার ছাপ আনতে হালকা গোলাপী, ফ্রেঞ্চ গ্রে, বেগুনি, ক্রিম রঙ ভালো। এই কক্ষের দেওয়ালে, দরজার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত দেয়ালগুলি বিভিন্ন আলোর রং বা খুব গাঢ় রং দিয়ে নতুনত্ব আনা যায়।

বেড রুম– আমরা বিশ্রামের জন্য এ ঘরকে বেছে নিই। এমন রং হওয়া উচিত যা হালকা, সতেজ, শান্তিপূর্ণ এবং মনোরম বিনোদন আনতে পারে। এ ক্ষেত্রে হোয়াইট, অফ হোয়াইট, লাইট ভায়োলেট, গ্রীন, লেমন ইয়েলো, ফ্রেঞ্চ গ্রে, ক্রিম ইত্যাদি শীতল রং দেওয়া যায়। ঘরের ভেতর ফ্লোর, জানালা, দরজা, পর্দা, দেয়াল, বেড কাভার, ফার্নিচার সব কিছুর জন্য রং হতে পারে ভিন্ন ভিন্ন। তবে বেডরুমে লাল রং ব্যব্যবহার না করাই ভালো। লাল রঙ অনেক ক্ষেত্রে রাগ, বিরক্তি বা অস্থিরতা এনে দেয়।

শিশুর রুম– বাচ্চাদের ঘরে রং করার আগে তার সঙ্গে কথা বলে পছন্দ বুঝে নেওয়া যেতে পারে। শিশুর পছন্দের কোনো চরিত্র থাকলে সেটা আঁকিয়ে নিতে পারেন দেয়ালে। তবে এখানে এমন চরিত্রই আঁকা উচিত, যা শিশুর অন্তত পাঁচ-আট বছর পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে।

ডাইনিং রুম– ঘরে সবুজের ছোঁয়া রাখতে চাইলে খাবারের ঘরটা কাজে লাগানো যেতে পারে। ঘর ছোট হলে এখানে ব্যবহৃত জিনিসগুলো কোন দেয়ালে কি রং সুন্দর লাগে হলে সহজেই মানিয়ে যাবে। খাবারের বড় জায়গা থাকলে দেয়ালে হালকা সবুজ রঙের প্রলেপ দিতে পারেন।
আপনার স্বপ্ন সজুক ক্লিকসেবার ছোয়ায়