fbpx
কল সেন্টারে চাকরির চাহিদা, সুযোগ, যোগ্যতা ও ক্যারিয়ার। - এখন আপনি ঘরে বসেই CLICKSEBA অ্যাপে পরিবারের সমস্ত পরিসেবা পাবেন! - ই-কমার্স প্রোডাক্ট, ডেলিভারি ম্যান পদে- CLICKSEBA.COM এ, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি! - কাস্টমার কেয়ার এবং টেলিসেলস এক্সিকিউটিভ পদে- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি! - ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনাবসান - প্রযুক্তি আমাদেরকে নিয়ে গেছে দূর থেকে বহুদূর। আমাদের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ-ই ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার ব্যবহারকারী। - জাতীয় সংগীত- আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি... - আপনার কী ধরণের গাড়ি ভাড়া লাগবে? - ইলেকট্রিক কাজের বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরঃ - আপনি কি একজন টেকনিশিয়ান❓ CLICKSEBA.COM নিয়ে এসেছে আপনার জন্য ইনকামের নতুন পথ।

কল সেন্টারে চাকরির চাহিদা, সুযোগ, যোগ্যতা ও ক্যারিয়ার।

বর্তমান যুগ টেলিমার্কেটিং এর যুগ। তাই সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের দেশেও অনেক কল সেন্টার গড়ে উঠছে। সুযোগ তৈরি হয়েছে কল সেন্টার কে পেশা হিসেবে বেছে নেবার। কল সেন্টার কী? কল সেন্টারে কাজের ধরণ কেমন? কল সেন্টারে চাকরির সুযোগ কেমন? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাস্টমার সার্ভিস জবের চাহিদা কেমন? বিদেশে কল সেন্টার জবের সুযোগ কতটুকু? কল সেন্টারে চাকরীর জন্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন লাগে? এই পেশার সুযোগ সুবিধা গুলো কি কি? এই সবকিছু প্রশ্নের উত্তর জানাতেই আমাদের এই চেষ্টা।

কল সেন্টার কী?
কল সেন্টার হচ্ছে এক ধরনের কল কেন্দ্রিক অফিস যেখানে কল গ্রহণ ও ট্রান্সমিটের কাজ করা হয়। এই কল সেন্টারটি পরিচালনা করা হয় একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন দ্বারা যেখানে কোন প্রোডাক্ট সাপ্লাই বা সাপোর্ট দেয়া ও তথ্য সংক্রান্ত যাবতীয় সবকিছুর সেবা ভোক্তাদের প্রদান করা হয়। এছাড়াও কল সেন্টার কাজ করে টেলিমার্কেটিং, বিভিন্ন চ্যারিটেবল বা পলিটিক্যাল ফান্ড, ঋণ সংগ্রহ বা মার্কেট রিসার্চের কাজে।

কীভাবে কাজ করে?
কল সেন্টারে কিছু এজেন্ট নিয়োগ করা হয় এবং তাদের প্রত্যেককে কম্পিউটার দেয়া হয় যা মেইন ওয়ার্ক স্টেশনের সাথে সংযোগ দেয়া থাকে, এছাড়াও দেয়া হয় একটি টেলিফোন সেট বা হেডসেট যা টেলিকম সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। কল সেন্টারে কল দু ধরনের হতে পারে, একটা হলো ইন বাউন্ড কল, যেখানে গ্রাহক তার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কোন তথ্য জানতে চেয়ে বা সমস্যা সম্পর্কে বলবে বা সাহায্য চাইবে। আরেক ধরনের কল হচ্ছে আউট বাউণ্ড, যা এজেন্ট তার গ্রাহকদের কাছে করবে কোন কিছু বেচাকেনার উদ্দেশ্যে যেমন- টেলিমার্কেটিং।

কল সেন্টারে চাকরীর সুযোগ
অন্যান্য দেশে এই কল সেন্টারের বিস্তৃতি ও পরিচিতি ইতিমধ্যেই অনেক। এখন বাংলাদেশেও এর পরিচিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে যার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে কল সেন্টার। দেশের ৬০ টি কল সেন্টারে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০,০০০ এর মতো মানুষ কাজে নিয়োজিত আছে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে কল সেন্টারগুলোকে লাইসেন্স ইস্যু করা শুরু করেছে এবং এখন পর্যন্ত মোট ১৮৪ টা কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে যার মধ্যে ৪১ টা কল সেন্টার কাজ করছে পুরোপুরি। আর দেশের বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানির মধ্যে গ্রামীনফোন কল সেন্টারে ১৪০০ এবং বাংলালিংক কল সেন্টারে প্রায় ৩৫০ জন লোক কাজ করে। এমনকি বড় হাসপাতালগুলো যেমন অ্যাপোলো ও স্কয়ার হাস্পাতালে যথাক্রমে ২৫ ও ১৬ জন লোক আছে শুধুমাত্র কাস্টমার সার্ভিসের জন্য।

দেশের বাইরের কাজ করার সুযোগ
এ তো গেলো দেশের ভিতরে কাজের কথা, এর বাইরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেমন- লন্ডন, আমেরিকা, সুইজারল্যান্ডে কল সেন্টারগুলোর কিছু ফিক্সড ক্লায়েন্ট আছে যাদের সাথে তারা নিয়মিত কাজ করে থাকে। মিটিঙের আগে তারা সেসব ক্লায়েন্টের জন্য দরকারি কাগজপত্র তৈরি করে, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনও দিয়ে থাকে মিটিং-এ, যাতে বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে কাজে কোন সমস্যা না থাকে।

কল সেন্টার জবের যোগ্যতা
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যেকোনো বিষয়ে পড়লেই এই চাকরির জন্য আবেদন করা যায়। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা শিক্ষানবিশ পদের জন্য স্নাতক পর্যায়ে পড়ছেন—এমন শিক্ষার্থী এবং এর ওপরের পদের জন্য স্নাতক পাস নিয়ে থাকে। এ ছাড়া তাঁকে অবশ্যই অফিসের কাজের জন্য মৌলিক কম্পিউটার জ্ঞান থাকতে হবে। শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা ও উত্তর দেওয়ার কাজে দক্ষ হতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য চার থেকে নয় ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন শিফট আছে। যেসব ছাত্রছাত্রী বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী তাদের কল সেন্টারে ভালো কাজের সম্ভাবনাও বেশি।

নিয়োগ প্রক্রিয়া
কল সেন্টার কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ওয়েবসাইটে ও চাকরির পোর্টালগুলোতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। গ্রামীণফোনের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা প্রথমে চাহিদা অনুযায়ী জীবনবৃত্তান্ত দেখেন। পছন্দ হলে আবেদনকারীর মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা পরীক্ষার জন্য কথা বলার যোগ্যতা (ভয়েস) পরীক্ষা করা হয়। এরপর সাক্ষাৎকার ও কর্মভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে।

বেতন–ভাতা ও সুযোগ–সুবিধা
বিভিন্ন কল সেন্টার ঘণ্টা অনুসারে বেতন দিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মানের ওপর বেতন নির্ভর করে। সপ্তাহে দুই দিন ছুটি থাকে। তবে কেউ যদি ছুটির দিনেও অফিস করেন, সে ক্ষেত্রে বাড়তি বেতন দেওয়া হয়। এই পদে থেকে ভালো দক্ষতা দেখাতে পারলে অনেক ওপরের পদে যাওয়া সম্ভব। অনেক সময়ে এসব পদের অভিজ্ঞতা বিভিন্ন চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হয়।

কল সেন্টার জব করতে এখানে ক্লিক করুন

এই কল সেন্টার সত্যিকার অর্থেই অনেক বড় কাজের সুযোগ তৈরি করছে এবং সব ক্ষেত্রেই কল সেন্টারের প্রয়োজনীয়তাটা সবাই বুঝতে পারছে। কল সেন্টারে তরুণদের জন্য সুযোগ বেড়েছে, অনেকেই এখন ফুল টাইম বা পার্ট টাইম চাকরি করছেন কল সেন্টারগুলোতে। বাংলাদেশেও এর ভবিষ্যৎ নিঃসন্দেহে ভালো।

(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো)

এখন আপনি ঘরে বসেই CLICKSEBA অ্যাপে পরিবারের সমস্ত পরিসেবা পাবেন!

উন্নত দেশ এর মত বাংলাদেশ ও এখন প্রযুক্তি নির্ভর। জীবন কে সহজতর করতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গৃ্হস্থালী পরিসেবা ও এখন হাতের মুঠোয়। কিভাবে এটা সম্ভব? এটাই ভাবছেন? আপনার সকল চিন্তা দূর করবে CLICKSEBA.COM অ্যাপ। এখন ঘরে বসেই পাবেন সেবা।

ইলেক্ট্রিশিয়ান প্র‍য়োজন? পার্লারে যেতে চাচ্ছেন কিন্তু সময়ের অভাবে যাওয়া হচ্ছে না? এসি সার্ভিসিং, ফ্রিজ, গাড়ি ভাড়া ব্যতীত অন্যান্য হোম সার্ভিসিং সুবিধা ও প্রদান করে থাকে CLICKSEBA.COM। কেমন হবে যদি একের ভিতরেই সব পাওয়া যায়?

CLICKSEBA দিবে আপনার সব সমস্যার সমাধান। সেই পর্যন্ত সামগ্রিক আলোচনায় অংশ নিন। আধুনিক যুগে যখন সবাই দ্রুত কার্য সম্পাদন করতে আগ্রহী তখন উন্নত প্রযুক্তির সেবা সবার ঘরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে যাএা শুরু করে CLICKSEBA.COM

নিম্নে CLICKSEBA.COM এর সকল তথ্য তুলে ধরা হলঃ
CLICKSEBA.COM কি? CLICKSEBA.COM হচ্ছে বাংলাদেশের স্থানীয় গৃ্হস্থালী পরিসেবা সরবরাহকারী মার্কেটপ্লেস। একটি অনলাইন নির্ভর সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। সহজভাবে বলা যায়, CLICKSEBA.COM একটি অ্যাপ্লিকেশন যার মাধ্যমে গ্রাহককে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়।

CLICKSEBA.COM এর কাজ কি? CLICKSEBA.COM আপনার পরিসেবার জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত স্থানীয় দক্ষ এবং অভিজ্ঞ সরবরাহকারী নিয়োগ করে থাকে। এবং কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আপনার কাংখিত কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

CLICKSEBA.COM অ্যাপ থেকে আপনি কি ধরনের সেবা পাবেন?
১। এসি মেরামতঃ শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারনে এসি বন্ধ থাকে। তাই সারা বছরের জমে থাকা ধুলো বালিতে এসি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এই সময় টা একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান এর মাধ্যমে আপনার এসি টি অবশ্যই সার্ভিসিং করাতে ভুলবেন না। CLICKSEBA.COM আপনাকে দিবে ঘরে বসেই দক্ষ, অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে সার্ভিসিং এর সুবিধা।এই সুবিধা পেতে হলে এখনি অর্ডার করে বুকিং দিতে হবে। আপনার ঠিকানায় নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে যাবে দক্ষ টেকনিশিয়ান।

২। বিউটি সেলুনঃ বিউটি পার্লার চলে আসবে এখন বাসায়। জি তাই! ক্লিকসেবা নিয়ে এল বিউটি সেলুন পরিসেবা। চুল কাটা, রিবন্ডিং আপার লিপ, পেডিকিউর সহ পার্লারের যাবতীয় সব সুবিধা পেতে এখনি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিন।

৩। সিসিটিভি মেরামতঃ আপনার বাসার সিসিটিভি নষ্ট হয়ে গেছে চিন্তায় আছেন কিভাবে ঠিক করবেন।CLICKSEBA.COM ক্লিক করুন এবং বেছে নিন আপনার স্থানীয় দক্ষ টেকনিশিয়ান কে।

৪। কম্পিউটার মেরামতঃ কম্পিউটার নষ্ট হলে ভালো টেকনিশিয়ান দিয়ে ঠিক করাতে হয়। অন্যথায় আবার ও কম্পিউটারের কার্য সম্পাদনে ব্যঘাত ঘটতে পারে। CLICKSEBA.COM তে আপনি অবিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে আপনার কম্পিউটার টি মেরামত করাতে পারবেন।

৫। বৈদ্যুতিক মেরামতঃ বাসায় বৈদ্যুতিক সংযোগ এ-র জন্য অথবা বিচ্ছিন্ন লাইন পুনঃসংযোজন অথবা বৈদ্যুতিক যে কোন প্রয়োজনে CLICKSEBA.COM কে অবহিত করে দক্ষ ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারেন।

৫। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টঃ আপনার বাসার যে কোন অনুষ্ঠান জন্মদিন অথবা বিয়ের জন্য আলোক সজ্জার ব্যবস্থা এখন CLICKSEBA.COM অ্যাপ থেকে ঘরে বসেই করতে পারবেন।

৬। গ্লাস এবং অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কঃ বাসার অথবা অফিসের যে কোন ধরনের থাই গ্লাস এবং অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্ক এর কাজের জন্য CLICKSEBA অ্যাপ থেকে অর্ডার করুন।

৭। গৃহ সরঞ্জাম মেরামতঃ আপনার গৃহের যে কোন সরঞ্জাম যেমন- ফ্রিজ, ওভেন, ওয়াশিং মেশিন সুংক্রান্ত যে কোন সমস্যা সমাধানে CLICKSEBA.COM আপনাকে দিবে পেশাদার হোম সার্ভিস।

৮। হাউস পেইন্টিং পরিসেবাঃ আপনার বাড়ি কে যদি মনের মাধুরি মিশিয়ে রাঙাতে চান তাহলে CLICKSEBA.COM দিচ্ছে আপনার মনের মত হাউস পেইন্টিং এর জন্য দক্ষ পেইন্টার।

৯।অভ্যন্তর নকশা এবং সজ্জাঃ আপনার ঘরের নকশা টা কেমন হবে, কিভাবে ঘর সাজাবেন বুঝতে পারছেন না? CLICK SEBA অ্যাপ থেকে অনলাইনেই আপনি একজন এক্সপার্ট এর পরামর্শ নিতে পারেন এবং অর্ডার দিতে পারেন হোম সার্ভিসের ভিত্তিতে কাংখিত সেবা পাওয়ার জন্য।

১০। মুভারস এবং প্যাকার্স পরিসেবাঃবাসা বা অফিস বদল করা হচ্ছে অনেক ঝামেলাপূর্ন একটা কাজ। বাসার ছোট / বড় আসবাবপএ নিয়ে আর ঝামেলা নয়। আপনার কাজ কে সহজ করে দিচ্ছে CLICKSEBA.COM মুভারস এবং প্যাকার্স পরিসেবার মাধ্যমে।

১১। প্রাকৃতিক প্রাকৃতিক খাঁটি খাবারঃ CLICKSEBA.COM প্রাকৃতিক খাঁটি খাবার ও সরবরাহ করে থাকে। খাঁটি মধু, মিষ্টি, দই ইত্যাদি স্বাস্থ্য সস্মত খাবার আপনি এখান থেকে পাবেন।

১২। রেন্ট- এ কার পরিসেবাঃ দূরে বেড়াতে যেতে চান? গাড়ি ভাড়া করা প্রয়োজন কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি CLICKSEBA.COM থেকে আপনার পছন্দের মডেল অনুযায়ী প্রয়োজন অনুসারে ছোট / বড় গাড়ি ভাড়া করতে পারেন ঘরে বসেই।

১৩। বার্ষিক পরিবার পরিসেবা পরিকল্পনাঃ CLICKSEBA.COM থেকে আপনি বার্ষিক চুক্তিতে ও সেবা গ্রহন করতে পারেন। একটি নির্দিষ্ট চুক্তির ভিওিতে সারা বছরের জন্য আপনি গৃ্হস্থালী সব সেবা গ্রহন করতে পারবেন।

CLICKSEBA.COM আওতাধীন এলাকাঃ ✔ আদাবর থানা। ✔বিমানবন্দর থানা। ✔ বাড্ডা থানা। ✔বনানী থানা৷ ✔বংশাল থানা। ✔বাশানটেক থানা। ✔ ভাটারা থানা। ✔ক্যান্টনমেন্ট থানা। ✔ চকবাজার থানা। ✔দারুস সালাম থানা। ✔ ডেমরা থানা। ✔ধানমন্ডি থানা। ✔ গেন্ডারিয়া থানা। ✔ গুলশান থানা। ✔ হাজারীবাগ থানা। ✔যাত্রাবাড়ী থানা। ✔ কদমতলী থানা ✔কাফরুল থানা। ✔ কলাবাগান থানা। ✔কামরাঙ্গীরচর থানা। ✔ খিলগাঁও থানা। ✔খিলক্ষেত থানা। ✔ কোতোয়ালি থানা। ✔লালবাগ থানা ৷ ✔মিরপুর থানা। ✔মোহাম্মদপুর থানা। ✔ মতিঝিল থানা। ✔নতুন বাজার থানা। ✔ পল্লবী থানা। ✔ পল্টন থানা। ✔ রমনা থানা। ✔ রামপুরা থানা। ✔ রূপনগর থানা ✔সবুজবাগ থানা। ✔শাহ আলী থানা থানা। ✔শাহবাগ থানা। ✔শাহাজাহানপুর থানা। ✔শের-ই-বাংলা নগর থানা। ✔শ্যামপুর থানা। ✔সূত্রাপুর থানা। ✔ দাখিখন থানা। ✔ তেজগাঁও থানা। ✔তুরাগ থানা। ✔উত্তর খান থানা। ✔উত্তরা থানা। ✔ওয়ারী থানা। ✔মুগদা থানা।

কিভাবে আপনি CLICK SHEBA থেকে Sheba পাবেন? CLICKSEBA.COM থেকে সেবা গ্রহনের জন্য আপনাকে প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে CLICKSEBA অ্যাপ টি ডাউনলোড করতে হবে।এবং অ্যাপটি ইন্সটল করে অর্ডার করতে হবে। CLICKSEBA.COM থেকে আপনি স্থানীয় ১০০+ সার্ভিস সরবরাহকারী থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সার্ভিস বাছাই করার সুযোগ পাবেন।

এখানে আপনি তাদের কাজের রেটিং, মূল্য নির্ধারণ এর ভিওিতে নির্বাচন করতে পারবেন। তারপর নাম, ঠিকানা উল্লেখ করে সার্ভিস বুকিং দেওয়ার পর আপনার পছন্দ করা অবিজ্ঞ সার্ভিস প্রোভাইডার নির্ধারিত সময় আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে।

CLICKSEBA.COM দিচ্ছে সেবা প্রদানের সেরা হোমসার্ভিসের নিশ্চয়তা। ব্যস্ততার ভীড় এ জীবন কে আরও সহজ এবং গতিময় জীবনে গৃহস্থালি সমস্যা সমাধান করতে CLICKSEBA.COM এখন আপনার দ্বারপ্রান্তে।

ই-কমার্স প্রোডাক্ট, ডেলিভারি ম্যান পদে- CLICKSEBA.COM এ, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

ই-কমার্স প্রোডাক্ট, ডেলিভারি ম্যান পদে- CLICKSEBA.COM এ, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

ই-কমার্স প্রোডাক্ট, ডেলিভারি ম্যান পদে- CLICKSEBA.COM এ, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

সাইকেল চালিয়ে আয় করুন ৪৫০০-২৫০০০ হাজার টাকা।
প্রার্থীকে অবশ্যই সাইকেল থাকতে হবে এবং ঢাকার রাস্তা সমন্ধে বিষদ ধারণা থাকতে হবে। এছাড়াও প্রার্থীকে অবশ্যই সৎ এবং কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

বর্তমান সময়ে প্রতিযোগিতার যুগে চাকরি খুজে পাচ্ছেন না, বেকার সময় কাটাচ্ছেন ঘরে বসে? তেলের জন্য বাইকের চাবিটাও ধরা হচ্ছে না! ঠিক তাদেরি জন্য CLICKSEBA.COM বাইক সহ ফুল টাইম ডেলিভারি ম্যান হিসেবে চাকরির অফার নিয়ে এল।

চাকরির দায়িত্বসমূহঃ
✔ হোম ডেলিভারি পরিশেবার জন্য প্রস্তুত থাকা।
✔ কাষ্টমারের ঠিকানায় পন্য ডেলিভারি করা এবং মূল্য সংগ্রহ করা।
✔ কাস্টমারের তথ্য, বিক্রয় তথ্য, অন্যান্য অনুমোদন রিপোর্ট অফিসে সময় মত পাঠানো।
✔ বিভিন্ন ইস্যু সুপারভাইজারকে রিপোর্ট করা।
✔ ব্যবস্থাপনা দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাজ করা।

চাকরির প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহঃ
✔ সাইকেল/বাইক এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।
✔ ঢাকা শহরের প্রতিটি এরিয়া চিনা থাকলে ভালো হবে।
✔ জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে।
✔ সাক্ষর জ্ঞান থাকতে হবে। স্পষ্টভাবে বাংলা ও ইংরেজি পড়া জানতে হবে।
✔ স্মার্ট হতে হবে, সৎ, পরিশ্রমী ও ভাল ব্যবহারের অধিকারী হতে হবে।

✔ চাকরির ধরনঃ ফুল টাইম ডেলিভারি ম্যান।
✔ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ সর্বনিম্ন SSC পাশ।
✔ অভিজ্ঞতাঃ ০-১ বছর।
✔ পদের সংখ্যাঃ ৯৮ জন।
✔ কর্মস্থলঃ ঢাকা।
✔ বেতনঃ ৪৫০০/- মাসিক + কমিশন (টার্গেট পূরণ সাপেক্ষে)

ডেলিভারি ম্যান পদে- রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট করুনঃ http://partner.clickseba.com/

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ৩০ শে জানুয়ারির মধ্যে আবেদনকারীকে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

কাস্টমার কেয়ার এবং টেলিসেলস এক্সিকিউটিভ পদে- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!

কাস্টমার কেয়ার এবং টেলিসেলস এক্সিকিউটিভ পদে- সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্লিকসেবা.কম এ, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

কাস্টমার কেয়ার এবং টেলিসেল এক্সিকিউটিভ পদে- সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্লিকসেবা.কম এ, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

চাকরির দায়িত্বসমূহ:
✔ গ্রাহকের ফোন কল রিসিভ করতে হবে।
✔ ইন বাউন্ড কল রিসিভ করতে হবে।
✔ আউট বাউন্ড কল করতে হবে।
✔ উন্নত গ্রাহক সেবা দিতে হবে।
✔ বন্ধুত্বসুলভ আচরন থাকতে হবে।
✔ দৈনিক সেলস টার্গেট পূরণ করতে হবে।
✔ অবশ্যই গ্রাহকের সাথে সু-সর্ম্পক বজায় রাখতে হবে।
✔ গ্রুপ ভিত্তিক কাজ করার মনোভাব থাকতে হবে।
✔ অবশ্যই কাজের ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।
✔ নির্দিষ্ট সময় পর পর নিজের কাজ এর অগ্রগতি সম্পর্কে রিপোর্ট করতে হবে।
✔ মার্কেটিং ও ম্যানেজমেন্টের কাজ করার মনোভাব থাকতে হবে।
✔ যে কোন পরিস্থিতেতে কাজ করার মনোভাব থাকতে হবে।
✔ ম্যানেজমেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী কার্য সম্পাদনের মনোভাব থাকতে হবে।
✔ Photoshop এবং Office Program এর উপর পারদর্শী হতে হবে।
✔ কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েব পেজ এবং ওয়েবসাইট এর সকল প্রকার মেসেজ এবং কমেন্টস এর মার্জিত এবং যথাযত উত্তর দিতে হবে।
✔ নিজ নিজ অর্ডার এবং কাস্টমার কে যথাযত বিক্রয় পরবর্তী সেবা প্রদান করতে হবে।

প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহঃ
✔ চাকরির ধরনঃ ফুল টাইম কাস্টমার কেয়ার এবং টেলিসেল এক্সিকিউটিভ।
✔ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ সর্বনিম্ন এইচএসসি / ডিপ্লোমা।
✔ অভিজ্ঞতাঃ সর্বনিম্ন ১ বছর।
✔ খালি পদের সংখ্যাঃ ২ জন।
✔ কর্মস্থলঃ মতিঝিল, ঢাকা।
✔ বয়সঃ ২০ থেকে ২৮।

✔ সিভি প্রেরণের ঠিকানা – ইমেলঃ admin@clickseba.com

কোম্পানীর সুযোগ সুবিধাদি
✔ মাসিক বেতন = ৮,০০০/- টাকা থেকে ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত।
✔ সাথে থাকছে সেলস টার্গেট বোনাস।
✔ উৎসব ভাতাঃ বছরে ২টি মাসিক বেতন সমপরিমাণ।
✔ সাপ্তাহিক ছুটিঃ ১ দিন।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনাবসান

আমরা গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ আজ শুক্রবার (২০শে ডিসেম্বর) রাত ৮টা বেজে ২৮ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। তিনি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত অবস্থায় রাজধানীর অ্যাপোলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনাবসান

আগামী পরশু রবিবার (২২শে ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দুপুর সাড়ে বারোটায় আর্মি স্টেডিয়ামেই তাঁর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হবে। জানাজার পর ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

ব্র্যাক গ্লোবাল বোর্ডের চেয়ারপারসন আমিরা হক তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, “ফজলে হাসান আবেদের আত্মনিবেদন, কর্মনিষ্ঠা এবং সুদৃঢ় নৈতিক অবস্থান তাঁকে ব্র্যাক পরিবারের সকলের কাছে শ্রদ্ধেয় ‘আবেদ ভাই’ করে তুলেছে। মানুষকে মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি ছিল তাঁর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি ব্র্যাকের পরিচিতি যখন বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে তখনও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নই তাঁর অগ্রাধিকার ছিল। সততা, বিনয় এবং মানবিকতার এক বিরল দৃষ্টান্ত ছিলেন তিনি। তাঁর এসকল গুণাবলিই ব্র্যাকের প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠার ভিত্তি রচনা করেছে।”

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ৩৬ বছর বয়সে, ১৯৭২ সালে তদানীন্তন সিলেট জেলায় একটি ক্ষুদ্র ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। গত ৪৭ বছরে বহুবিস্তৃত কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক বিশ্বের অন্যতম কার্যকরী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে। মাইক্রোফাইন্যান্স, সামাজিক ব্যবসা, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামাত্রিক বিনিয়োগ সমন্বয়ে ব্র্যাক আজ বিশ্বের বুকে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি এশিয়া ও আফ্রিকার ১১টি দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে।

স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবন-সংক্ষেপ
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল তদানীন্তন সিলেটের হবিগঞ্জ মহকুমার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লন্ডনে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে পড়ালেখা করেন। ১৯৬২ সালে কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হন। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানিতে সিনিয়র কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত থাকাকালে ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ তাঁর জীবনের মোড় সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি চাকরি ছেড়ে লন্ডনে চলে যান। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ এবং ‘হেলপ বাংলাদেশ’ নামে দুটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে দেশে ফিরে আসেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ভারত-প্রত্যাগত শরণার্থীদের জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এ লক্ষ্যে তিনি ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করে সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত শাল্লা এলাকায় ফিরে আসা শরণার্থীদের নিয়ে আর্থসামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেন।

আজ ব্র্যাক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। বর্তমানে এশিয়া ও আফ্রিকার ১১টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত। ব্র্যাকের প্রধান লক্ষ্য দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়ন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা চার বছর জেনেভাভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সংস্থা ‘এনজিও অ্যাডভাইজার’ কর্তৃক ব্র্যাক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এনজিও হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রভাব, উদ্ভাবনশীলতা, টেকসই সমাধান এই তিনটি বৈশিষ্ট্যের নিরিখে বিশ্বের ৫০০ এনজিওর মধ্যে তুলনার ভিত্তিতে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখায় স্যার ফজলে অসংখ্য পুরস্কার ও স্বীকৃতিতে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পুরস্কার ‘ইদান প্রাইজ’ (২০১৯), প্রাক-শৈশব উন্নয়ন কর্মকা-ে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ লেগো ফাউন্ডেশন কর্তৃক লেগো পুরস্কার (২০১৮), দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের সম্ভাবনা বিকাশে সুযোগ সৃষ্টির জন্য লুডাটো সি অ্যাওয়ার্ড (২০১৭), ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ (২০১৫), ট্রাস্ট উইমেন হিরো অ্যাওয়ার্ড (২০১৪), স্প্যানিশ অর্ডার অব সিভিল মেরিট (২০১৪), লিও টলস্টয় ইন্টারন্যাশনাল গোল্ড মেডাল অ্যাওয়ার্ড (২০১৪), শিক্ষাক্ষেত্রে ওয়াইজ প্রাইজ ফর এডুকেশন (২০১১), ডেভিড রকফেলার ব্রিজিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড (২০০৮), ক্লিনটন গ্লোবাল সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড (২০০৭), ইউএনডিপি মাহবুবুল হক অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং কনট্রিবিউশন টু হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (২০০৪), ওলফ পামে প্রাইজ (২০০১) এবং র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফর কমিউনিটি লিডারশিপ (১৯৮০)।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অশোকা স্যার ফজলেকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। তিনি এর মর্যাদাসূচক গ্লোবাল অ্যাকাডেমি ফর সোশ্যাল আন্ট্রপ্রেনিওরশিপ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিশন অন হেলথ রিসার্চ ফর ডেভেলপমেন্ট (১৯৮৭-৯০), ইন্ডিপেনডেন্ট সাউথ এশিয়ান কমিশন অন পভার্টি অ্যালিভিয়েশন (১৯৯১-৯২) এবং হাইলেভেল কমিশন অন লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট অব দ্য পুওর (২০০৫-২০০৮)-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্যার ফজলে ২০১০ সালে ব্রিটেনের রানী প্রদত্ত নাইটহুড মর্যাদা লাভ করেন। ২০১০ সালে জাতিসংঘ মহাসচিব কর্তৃক স্বল্পোন্নত দেশসমূহের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত পরামর্শদাতা দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০১৪ ও ২০১৭ সালে ফরচুন ম্যাগাজিন কর্তৃক স্যার ফজলে বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী ৫০ জন ব্যক্তিত্বের অন্যতম হিসেবে উল্লেখিত হন। স্যার ফজলে এ বছর (২০১৯) নেদারল্যান্ডের রাজা কর্তৃক নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র: Shariful Hasan সিনিয়র রিপোর্টার –প্রথম আলো


Post navigation