fbpx
আপনি জানেন কি? কিছু নিয়ম মেনে যদি আপনি এসি চালান তবে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে? এসি রিপেয়ার সার্ভিস। - উদ্যোক্তা হতে চাইলে অবশ্যই নিজের ইচ্ছাশক্তি আর ধৈর্য প্রয়োজন - উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস মীম। - এখন আপনি ঘরে বসেই CLICKSEBA অ্যাপে পরিবারের সমস্ত পরিসেবা পাবেন! - ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনাবসান - জাতীয় সংগীত- আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি... - আপনার কী ধরণের গাড়ি ভাড়া লাগবে? - ইলেকট্রিক কাজের বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরঃ - আর্থিং ব্যাবহার করে বিদ্যুৎ থেকে নিরাপদ থাকুক এবং জীবন বাঁচান। বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়াবার জন্য আর্থিং বা গ্রাউন্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - TOP 20 BEST HOUSEHOLD SERVICE PROVIDER COMPANY IN DHAKA, BANGLADESH. - মিস্ত্রি খুঁজছেন! অথচ মিস্ত্রি পাচ্ছেন না? আপনার ফ্রীজে ঠান্ডা কম বরফ হচ্ছে না? গ্যাসে সমস্যা মনে হচ্ছে? আর দেরি না করে এখনই অর্ডার করুন ☞ CLICKSHEBA.COM এ।

আপনি জানেন কি? কিছু নিয়ম মেনে যদি আপনি এসি চালান তবে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে? এসি রিপেয়ার সার্ভিস।

আপনি জানেন কি? কিছু নিয়ম মেনে যদি আপনি এসি চালান তবে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে?

এসি রিপেয়ার সার্ভিস

কর্ম ব্যাস্ত জীবনে কাজের শেষে শান্তিতে ঘুমাতে ঘরে এসি লাগাতে চান অনেকে। তবে এসি লাগাতে চাইলেও বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারণে অনেকে এসি লাগাতে চান না।

✅ এসির টেম্পারেচার অবশ্যই ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে রাখতে হবে।

✅ রাতে স্লিপ মোডে এসি চালান। বিদ্যুৎ অপচয় কমবে।

✅ ভোরের দিকে এসি বন্ধ করে দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

✅ রাতে ৪-৫ ঘণ্টা এসি চললে, পরবর্তী কিছুক্ষণ এসি ছাড়া থাকাই যায়।

✅ আপনার এসি বেশি পুরনো মডেলের হয়ে গেলে তা বদলে নিন। পুরনো মডেলের এসিগুলো সে রকম বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়।

✅ এসিতে টাইমার ব্যবহার করুন যাতে ঘর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে অটোম্যাটিক বন্ধ হয়ে যায় যন্ত্রটি।

✅ দিনের বেলা ঘরে তাপ ঢোকার উৎসগুলিকে বন্ধ করুন।

✅ আপনার সিলিং ফ্যানটিকেও ব্যবহার করুন এসির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে।

✅ এসির ফিল্টারটি নির্দিষ্ট সময়ে সার্ভিসিং খুবই জরুরী।

আপনার এসি CLICKSEBA.COM টিমের দক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা সার্ভিসিং করাতে আজই বুকিং দিন- 01707078003

বিঃদ্রঃ স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমা এবং অন্যান্য যে কোন করর্পোরেট অফিস ও দোকানের মাসিক বা বাৎসরিক চুক্তিতে সার্ভিস দেওয়া হয়।

উদ্যোক্তা হতে চাইলে অবশ্যই নিজের ইচ্ছাশক্তি আর ধৈর্য প্রয়োজন – উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস মীম।

“উদ্যোক্তা হতে চাইলে অবশ্যই নিজের ইচ্ছাশক্তি আর ধৈর্য প্রয়োজন” – উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস মীম।।  

BD NEWS প্রতিবেদন-
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া, বাংলার মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সহ আরও অসংখ্য খ্যাতনামা ব্যক্তির তীর্থ ভূমি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল জেলা রংপুর। প্রখ্যাত এই জেলার তরুণ উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস মীম।।  

রংপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং রংপুর সরকারী কলেজে থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে বর্তমানে রংপুর কারমাইকেল কলেজে  মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক শেষ বর্ষে অধ্যায়নরত রয়েছেন এই মেধাবী তরুণ উদ্যোক্তা।। 
পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালিখি করেন। স্কুল পর্যায়ে গার্লস গাইড, আন্তঃস্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সহ বিভিন্ন খেলাধুলায় যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন “কাকাশিস”, সেচ্ছাসেবী সংগঠন “মৃত্তিকা”, বাঁধন সহ বেশ কিছু সংগঠনের সাথেও যুক্ত রয়েছেন মীম।।      

ছোটবেলা থেকেই দুরন্ত প্রকৃতির আর স্বাধীনচেতা মীম সব সময় চাইতেন নিজের মতো করে কাজ করতে। রং, তুলি, সুতা, পুঁথি আর ফেলে দেয়া জিনিস গুলোতে নতুন কোনো রুপ দেয়ার মাঝে এক প্রকার শান্তি খুঁজে পেতেন। স্বাধীন ভাবে কাজ করতে আর নিজস্ব উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতেই যাত্রা শুরু করে মীমের অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান “মীম’স এক্সক্লুসিভ ওয়্যারহাউস”।।
নিজের নামেই নামকরণ করেন তার এই স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানের। এ প্রসঙ্গে মীম জানান, ছোটবেলা থেকেই ‘আমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না’ এই কথাটা পরিচিত জনদের কাছ থেকে এত্ত পরিমাণ শুনেছি যে, তখনই ঠিক করেছিলাম কখনো সুযোগ হলে, কিছু করতে পারলে নিজের নামেই নামকরণ করবো যাতে একটু হলেও সবাই আমাকে নিজের পরিচয়ে চিনতে পারে।।
 
“মীম’স এক্সক্লুসিভ ওয়্যারহাউস” এর অগ্রযাত্রা নিয়ে মীম জানান, ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিলো আমার মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে ব্যবসায় শাখায় স্থানান্তরের পর থেকেই। সেই সময় নিজের হাতে কিছু জিনিস বানানো শুরু করি আর অল্প সময়ে জিনিস গুলো পরিবার আর বন্ধু মহলে বেশ সুনাম পেতে থাকে সেই সাথে নিজের ইনকামেরও শুরু। তখন আমার বড় ভাইয়া আমাকে বলে আমার দক্ষতাটাকে উদ্যোগ হিসেবে নিতে। আর তারপর থেকেই আমার নিজে কিছু করার পথ চলা শুরু। শুরুটা আসলে কষ্টকর ছিলো, ভালো ফোন ছিলো না তাই অফলাইনে টুকটাক পরিচিতদের কাছেই সেল করতে শুরু করি।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলে আসায় সাময়িক সময়ের জন্য কাজে শিথিলতা চলে আসে। কিন্তু ক্রাফটিং এর নেশা যখন রক্তে থাকে তখন হয়তো কোনো ভাবে দমিয়ে রাখা যায় না ৷ উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম বৃত্তির আট হাজার টাকা দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করি। শুরুতে সুতার কাজের আর হ্যান্ড পেইন্টিং এর জামা তৈরি করি, যা সকলের কাছে প্রশংসনীয় হলেও কারো কারো কাছে হাসির পাত্রও হয়েছিলাম। সে সময় অনেকে কাপড়ওয়ালী বলেও ডাকতো।    
নিজের জন্য বানানো জুয়েলারি দেখে অনেক পরিচিত জনরাও বানিয়ে দিতে বলেছিল, তারপর থেকে জুয়েলারি আইটেমও বানানো শুরু করি। বর্তমানে হ্যান্ডপেইন্ট, সুতার কাজ, ব্লক, এমব্রয়ডারির ড্রেস, ক্রুশের বিভিন্ন আইটেম সহ হাতে বানানো বিভিন্ন ধরণের পণ্য রয়েছে “মিম’স এক্সক্লুসিভ ওয়্যারহাউস”এ। কিছু প্রোডাক্ট থাকে যেটা সকলের কাছে একটু বেশি প্রাধান্য পায় যেমন আমাদের হ্যান্ডলুম ব্লক ড্রেস গুলো। প্রোডাক্ট পেয়ে সন্তুষ্ট হওয়ায় গ্রাহকদের কাছ থেকেও  অনেক প্রশংসা আর ভালোবাসা পাচ্ছি৷।  

উত্তরবঙ্গে থাকায় আমার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাটারিয়ালস সহজলভ্য ছিল না। এমনো দিন গেছে সারাদিন পণ্যের মেটারিয়ালস কালেক্ট করতে পায়ে হেটে বেড়িয়েছি। একটাই জেদ ছিলো কিছু একটা করতে হবে। চাকরী ছাড়াও সমাজে  নিজেকে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব। ভাইয়াকে সব সময় আমার প্রয়োজনে পাশে পেয়েছি। ভাইয়া ঢাকায় থাকার সুবাধে খুঁজে খুঁজে মেটারিয়ালস কালেক্ট করে আমাকে পাঠাতো। ভাইয়া না থাকলে হয়তো এতটা স্বপ্ন দেখা আর সেটার বাস্তবায়ন করা সম্ভবপর হতো না। আস্তে আস্তে সাহস বেড়ে যায়, বেশী বেশী প্রোডাক্ট কেনা শুরু করি। সবার সহযোগিতা আর ভালোবাসায় কাজের গন্ডি বাড়তে থাকে। বর্তমানে বাসায় ছোট্ট বুটিক্স আছে এছাড়াও বিভিন্ন মেলাতেও অংশগ্রহণ করছি।।  

বর্তমানে আমার কাজ বেশ ভালো চলছে। কাজের অর্ডার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।  যেহেতু পড়াশোনা সামলিয়ে বিজনেসের সব দিক নিজেকেই মেইনটেইন করতে হয় তাই একটু কষ্ট হয় কিন্তু কখনো কাজের প্রতি বিরক্ত আসে না বলেই হয়তো আজও হাল ছেড়ে দেইনি ৷ অনুপ্রেরনা পাই যখন গ্রাহকের হাসিমুখ আর আমার কাজের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা দেখি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আসছি যা আমার আত্মপ্রত্যয় বাড়িয়ে তুলছে।।
যেহেতু মার্কেটিং নিয়ে পড়ছি তাই ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে বিজনেস রিলেটেড কাউন্সিলিং, ট্রেনিং এবং অন্যান্য যেসব সুযোগ সুবিধা প্রয়োজন একজন উদ্যোক্তার সেসব ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করার। আমি যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি সেসব সমস্যা যেনো নতুন উদ্যোক্তাদের ফেস করতে না হয়।।

আমার ব্যবসায়ীক জীবনের পথচলা মাত্র শুরু সামনে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা আছে। আমার কাজে সব সময় আমার বড় ভাইয়া, খুব কাছের কিছু বন্ধু মবিন, রিয়াদ, জুনায়েদ, কায়সার, অভি সহ অনেকেই ভেংগে পড়া সময় গুলোতে সাহস দিয়েছে, এখনো উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। আমার মাও আমার কাজ করার শক্তি আমার অনুপ্রেরণা। সকলের প্রতিই আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।।     

ভবিষ্যৎ নবীন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে মীম বলেন, উদ্যোক্তা হতে চাইলে অবশ্যই নিজের ইচ্ছাশক্তি আর ধৈর্য প্রয়োজন। নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকুন। প্রোডাক্ট মানসম্মত ভাবে তৈরি করুন। প্রোডাক্টের মার্কেট রিসার্চ করে সেই অনুযায়ী কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্ট তুলে ধরুন । নিজেকে জানতে শিখুন, জানুন কোন কাজে আপনার দক্ষতা আর ভালোবাসা আছে, তারপর সেই কাজে নেমে পড়ুন দেখবেন সফলতা আসবেই।।

বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শোরুম দেওয়া এবং “মীম’স এক্সক্লুসিভ ওয়্যারহাউস”কে দেশীয় পণ্যের বাজারে প্রতিষ্ঠিত করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেন এই স্বপ্নবান মেধাবী তরুণ উদ্যোক্তা।।   
স্বপ্নবান মেধাবী এই তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্ন সফল হোক। পরিশ্রম সার্থক হোক। ইচ্ছে গুলো পূর্ণতা পাক। সকল প্রচেষ্টা বাস্তবায়ন হোক। আরও বহুদূর এগিয়ে যাক মীম।।      

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ জান্নাতুল ফেরদৌস মীম। শুভকামনা।।                              
 
(ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আগ্রহীরা উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস মীম’র সাথে যোগাযোগ করতে পারেনঃ +৮৮০১৭৫০০৫৩৯৫০

উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস মীম


“মীম’স এক্সক্লুসিভ ওয়্যারহাউস” পেইজ লিঙ্ক – https://www.facebook.com/rmm345/

“আপনার মনকে অবহিত করুন যে সফলতা না আসা পর্যন্ত আপনি থামছেন না, এমনকি আপনি বারবার ব্যর্থ হলেও থামছেন না। ছোটবেলায় যেভাবে একবার হাঁটতে না পারলেও  পড়ে গিয়ে কান্না করতে করতে আবার দেয়াল ধরে হাঁটতে চেষ্টা করতেন, এখন আবার দাঁতে দাঁত চেপে নাছোড়বান্দার মত লেগে থাকুন। সফলতা আসবে, সফলতা আসতেই হবে।”

– Zahidul Alam Rubel
প্রতিষ্ঠাতা
ক্লিকসেবা প্ল্যাটফর্ম

এখন আপনি ঘরে বসেই CLICKSEBA অ্যাপে পরিবারের সমস্ত পরিসেবা পাবেন!

উন্নত দেশ এর মত বাংলাদেশ ও এখন প্রযুক্তি নির্ভর। জীবন কে সহজতর করতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গৃ্হস্থালী পরিসেবা ও এখন হাতের মুঠোয়। কিভাবে এটা সম্ভব? এটাই ভাবছেন? আপনার সকল চিন্তা দূর করবে CLICKSEBA.COM অ্যাপ। এখন ঘরে বসেই পাবেন সেবা।

ইলেক্ট্রিশিয়ান প্র‍য়োজন? পার্লারে যেতে চাচ্ছেন কিন্তু সময়ের অভাবে যাওয়া হচ্ছে না? এসি সার্ভিসিং, ফ্রিজ, গাড়ি ভাড়া ব্যতীত অন্যান্য হোম সার্ভিসিং সুবিধা ও প্রদান করে থাকে CLICKSEBA.COM। কেমন হবে যদি একের ভিতরেই সব পাওয়া যায়?

CLICKSEBA দিবে আপনার সব সমস্যার সমাধান। সেই পর্যন্ত সামগ্রিক আলোচনায় অংশ নিন। আধুনিক যুগে যখন সবাই দ্রুত কার্য সম্পাদন করতে আগ্রহী তখন উন্নত প্রযুক্তির সেবা সবার ঘরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে যাএা শুরু করে CLICKSEBA.COM

নিম্নে CLICKSEBA.COM এর সকল তথ্য তুলে ধরা হলঃ
CLICKSEBA.COM কি? CLICKSEBA.COM হচ্ছে বাংলাদেশের স্থানীয় গৃ্হস্থালী পরিসেবা সরবরাহকারী মার্কেটপ্লেস। একটি অনলাইন নির্ভর সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। সহজভাবে বলা যায়, CLICKSEBA.COM একটি অ্যাপ্লিকেশন যার মাধ্যমে গ্রাহককে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়।

CLICKSEBA.COM এর কাজ কি? CLICKSEBA.COM আপনার পরিসেবার জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত স্থানীয় দক্ষ এবং অভিজ্ঞ সরবরাহকারী নিয়োগ করে থাকে। এবং কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আপনার কাংখিত কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

CLICKSEBA.COM অ্যাপ থেকে আপনি কি ধরনের সেবা পাবেন?
১। এসি মেরামতঃ শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারনে এসি বন্ধ থাকে। তাই সারা বছরের জমে থাকা ধুলো বালিতে এসি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এই সময় টা একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান এর মাধ্যমে আপনার এসি টি অবশ্যই সার্ভিসিং করাতে ভুলবেন না। CLICKSEBA.COM আপনাকে দিবে ঘরে বসেই দক্ষ, অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে সার্ভিসিং এর সুবিধা।এই সুবিধা পেতে হলে এখনি অর্ডার করে বুকিং দিতে হবে। আপনার ঠিকানায় নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে যাবে দক্ষ টেকনিশিয়ান।

২। বিউটি সেলুনঃ বিউটি পার্লার চলে আসবে এখন বাসায়। জি তাই! ক্লিকসেবা নিয়ে এল বিউটি সেলুন পরিসেবা। চুল কাটা, রিবন্ডিং আপার লিপ, পেডিকিউর সহ পার্লারের যাবতীয় সব সুবিধা পেতে এখনি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিন।

৩। সিসিটিভি মেরামতঃ আপনার বাসার সিসিটিভি নষ্ট হয়ে গেছে চিন্তায় আছেন কিভাবে ঠিক করবেন।CLICKSEBA.COM ক্লিক করুন এবং বেছে নিন আপনার স্থানীয় দক্ষ টেকনিশিয়ান কে।

৪। কম্পিউটার মেরামতঃ কম্পিউটার নষ্ট হলে ভালো টেকনিশিয়ান দিয়ে ঠিক করাতে হয়। অন্যথায় আবার ও কম্পিউটারের কার্য সম্পাদনে ব্যঘাত ঘটতে পারে। CLICKSEBA.COM তে আপনি অবিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে আপনার কম্পিউটার টি মেরামত করাতে পারবেন।

৫। বৈদ্যুতিক মেরামতঃ বাসায় বৈদ্যুতিক সংযোগ এ-র জন্য অথবা বিচ্ছিন্ন লাইন পুনঃসংযোজন অথবা বৈদ্যুতিক যে কোন প্রয়োজনে CLICKSEBA.COM কে অবহিত করে দক্ষ ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারেন।

৫। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টঃ আপনার বাসার যে কোন অনুষ্ঠান জন্মদিন অথবা বিয়ের জন্য আলোক সজ্জার ব্যবস্থা এখন CLICKSEBA.COM অ্যাপ থেকে ঘরে বসেই করতে পারবেন।

৬। গ্লাস এবং অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কঃ বাসার অথবা অফিসের যে কোন ধরনের থাই গ্লাস এবং অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্ক এর কাজের জন্য CLICKSEBA অ্যাপ থেকে অর্ডার করুন।

৭। গৃহ সরঞ্জাম মেরামতঃ আপনার গৃহের যে কোন সরঞ্জাম যেমন- ফ্রিজ, ওভেন, ওয়াশিং মেশিন সুংক্রান্ত যে কোন সমস্যা সমাধানে CLICKSEBA.COM আপনাকে দিবে পেশাদার হোম সার্ভিস।

৮। হাউস পেইন্টিং পরিসেবাঃ আপনার বাড়ি কে যদি মনের মাধুরি মিশিয়ে রাঙাতে চান তাহলে CLICKSEBA.COM দিচ্ছে আপনার মনের মত হাউস পেইন্টিং এর জন্য দক্ষ পেইন্টার।

৯।অভ্যন্তর নকশা এবং সজ্জাঃ আপনার ঘরের নকশা টা কেমন হবে, কিভাবে ঘর সাজাবেন বুঝতে পারছেন না? CLICK SEBA অ্যাপ থেকে অনলাইনেই আপনি একজন এক্সপার্ট এর পরামর্শ নিতে পারেন এবং অর্ডার দিতে পারেন হোম সার্ভিসের ভিত্তিতে কাংখিত সেবা পাওয়ার জন্য।

১০। মুভারস এবং প্যাকার্স পরিসেবাঃবাসা বা অফিস বদল করা হচ্ছে অনেক ঝামেলাপূর্ন একটা কাজ। বাসার ছোট / বড় আসবাবপএ নিয়ে আর ঝামেলা নয়। আপনার কাজ কে সহজ করে দিচ্ছে CLICKSEBA.COM মুভারস এবং প্যাকার্স পরিসেবার মাধ্যমে।

১১। প্রাকৃতিক প্রাকৃতিক খাঁটি খাবারঃ CLICKSEBA.COM প্রাকৃতিক খাঁটি খাবার ও সরবরাহ করে থাকে। খাঁটি মধু, মিষ্টি, দই ইত্যাদি স্বাস্থ্য সস্মত খাবার আপনি এখান থেকে পাবেন।

১২। রেন্ট- এ কার পরিসেবাঃ দূরে বেড়াতে যেতে চান? গাড়ি ভাড়া করা প্রয়োজন কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি CLICKSEBA.COM থেকে আপনার পছন্দের মডেল অনুযায়ী প্রয়োজন অনুসারে ছোট / বড় গাড়ি ভাড়া করতে পারেন ঘরে বসেই।

১৩। বার্ষিক পরিবার পরিসেবা পরিকল্পনাঃ CLICKSEBA.COM থেকে আপনি বার্ষিক চুক্তিতে ও সেবা গ্রহন করতে পারেন। একটি নির্দিষ্ট চুক্তির ভিওিতে সারা বছরের জন্য আপনি গৃ্হস্থালী সব সেবা গ্রহন করতে পারবেন।

CLICKSEBA.COM আওতাধীন এলাকাঃ ✔ আদাবর থানা। ✔বিমানবন্দর থানা। ✔ বাড্ডা থানা। ✔বনানী থানা৷ ✔বংশাল থানা। ✔বাশানটেক থানা। ✔ ভাটারা থানা। ✔ক্যান্টনমেন্ট থানা। ✔ চকবাজার থানা। ✔দারুস সালাম থানা। ✔ ডেমরা থানা। ✔ধানমন্ডি থানা। ✔ গেন্ডারিয়া থানা। ✔ গুলশান থানা। ✔ হাজারীবাগ থানা। ✔যাত্রাবাড়ী থানা। ✔ কদমতলী থানা ✔কাফরুল থানা। ✔ কলাবাগান থানা। ✔কামরাঙ্গীরচর থানা। ✔ খিলগাঁও থানা। ✔খিলক্ষেত থানা। ✔ কোতোয়ালি থানা। ✔লালবাগ থানা ৷ ✔মিরপুর থানা। ✔মোহাম্মদপুর থানা। ✔ মতিঝিল থানা। ✔নতুন বাজার থানা। ✔ পল্লবী থানা। ✔ পল্টন থানা। ✔ রমনা থানা। ✔ রামপুরা থানা। ✔ রূপনগর থানা ✔সবুজবাগ থানা। ✔শাহ আলী থানা থানা। ✔শাহবাগ থানা। ✔শাহাজাহানপুর থানা। ✔শের-ই-বাংলা নগর থানা। ✔শ্যামপুর থানা। ✔সূত্রাপুর থানা। ✔ দাখিখন থানা। ✔ তেজগাঁও থানা। ✔তুরাগ থানা। ✔উত্তর খান থানা। ✔উত্তরা থানা। ✔ওয়ারী থানা। ✔মুগদা থানা।

কিভাবে আপনি CLICK SHEBA থেকে Sheba পাবেন? CLICKSEBA.COM থেকে সেবা গ্রহনের জন্য আপনাকে প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে CLICKSEBA অ্যাপ টি ডাউনলোড করতে হবে।এবং অ্যাপটি ইন্সটল করে অর্ডার করতে হবে। CLICKSEBA.COM থেকে আপনি স্থানীয় ১০০+ সার্ভিস সরবরাহকারী থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সার্ভিস বাছাই করার সুযোগ পাবেন।

এখানে আপনি তাদের কাজের রেটিং, মূল্য নির্ধারণ এর ভিওিতে নির্বাচন করতে পারবেন। তারপর নাম, ঠিকানা উল্লেখ করে সার্ভিস বুকিং দেওয়ার পর আপনার পছন্দ করা অবিজ্ঞ সার্ভিস প্রোভাইডার নির্ধারিত সময় আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে।

CLICKSEBA.COM দিচ্ছে সেবা প্রদানের সেরা হোমসার্ভিসের নিশ্চয়তা। ব্যস্ততার ভীড় এ জীবন কে আরও সহজ এবং গতিময় জীবনে গৃহস্থালি সমস্যা সমাধান করতে CLICKSEBA.COM এখন আপনার দ্বারপ্রান্তে।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনাবসান

আমরা গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ আজ শুক্রবার (২০শে ডিসেম্বর) রাত ৮টা বেজে ২৮ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। তিনি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত অবস্থায় রাজধানীর অ্যাপোলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনাবসান

আগামী পরশু রবিবার (২২শে ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দুপুর সাড়ে বারোটায় আর্মি স্টেডিয়ামেই তাঁর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হবে। জানাজার পর ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

ব্র্যাক গ্লোবাল বোর্ডের চেয়ারপারসন আমিরা হক তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, “ফজলে হাসান আবেদের আত্মনিবেদন, কর্মনিষ্ঠা এবং সুদৃঢ় নৈতিক অবস্থান তাঁকে ব্র্যাক পরিবারের সকলের কাছে শ্রদ্ধেয় ‘আবেদ ভাই’ করে তুলেছে। মানুষকে মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি ছিল তাঁর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি ব্র্যাকের পরিচিতি যখন বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে তখনও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নই তাঁর অগ্রাধিকার ছিল। সততা, বিনয় এবং মানবিকতার এক বিরল দৃষ্টান্ত ছিলেন তিনি। তাঁর এসকল গুণাবলিই ব্র্যাকের প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠার ভিত্তি রচনা করেছে।”

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ৩৬ বছর বয়সে, ১৯৭২ সালে তদানীন্তন সিলেট জেলায় একটি ক্ষুদ্র ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। গত ৪৭ বছরে বহুবিস্তৃত কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক বিশ্বের অন্যতম কার্যকরী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে। মাইক্রোফাইন্যান্স, সামাজিক ব্যবসা, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামাত্রিক বিনিয়োগ সমন্বয়ে ব্র্যাক আজ বিশ্বের বুকে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি এশিয়া ও আফ্রিকার ১১টি দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে।

স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবন-সংক্ষেপ
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল তদানীন্তন সিলেটের হবিগঞ্জ মহকুমার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লন্ডনে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে পড়ালেখা করেন। ১৯৬২ সালে কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হন। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানিতে সিনিয়র কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত থাকাকালে ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ তাঁর জীবনের মোড় সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি চাকরি ছেড়ে লন্ডনে চলে যান। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ এবং ‘হেলপ বাংলাদেশ’ নামে দুটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে দেশে ফিরে আসেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ভারত-প্রত্যাগত শরণার্থীদের জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এ লক্ষ্যে তিনি ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করে সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত শাল্লা এলাকায় ফিরে আসা শরণার্থীদের নিয়ে আর্থসামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেন।

আজ ব্র্যাক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। বর্তমানে এশিয়া ও আফ্রিকার ১১টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত। ব্র্যাকের প্রধান লক্ষ্য দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়ন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা চার বছর জেনেভাভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সংস্থা ‘এনজিও অ্যাডভাইজার’ কর্তৃক ব্র্যাক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এনজিও হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রভাব, উদ্ভাবনশীলতা, টেকসই সমাধান এই তিনটি বৈশিষ্ট্যের নিরিখে বিশ্বের ৫০০ এনজিওর মধ্যে তুলনার ভিত্তিতে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখায় স্যার ফজলে অসংখ্য পুরস্কার ও স্বীকৃতিতে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পুরস্কার ‘ইদান প্রাইজ’ (২০১৯), প্রাক-শৈশব উন্নয়ন কর্মকা-ে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ লেগো ফাউন্ডেশন কর্তৃক লেগো পুরস্কার (২০১৮), দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের সম্ভাবনা বিকাশে সুযোগ সৃষ্টির জন্য লুডাটো সি অ্যাওয়ার্ড (২০১৭), ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ (২০১৫), ট্রাস্ট উইমেন হিরো অ্যাওয়ার্ড (২০১৪), স্প্যানিশ অর্ডার অব সিভিল মেরিট (২০১৪), লিও টলস্টয় ইন্টারন্যাশনাল গোল্ড মেডাল অ্যাওয়ার্ড (২০১৪), শিক্ষাক্ষেত্রে ওয়াইজ প্রাইজ ফর এডুকেশন (২০১১), ডেভিড রকফেলার ব্রিজিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড (২০০৮), ক্লিনটন গ্লোবাল সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড (২০০৭), ইউএনডিপি মাহবুবুল হক অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং কনট্রিবিউশন টু হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (২০০৪), ওলফ পামে প্রাইজ (২০০১) এবং র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফর কমিউনিটি লিডারশিপ (১৯৮০)।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অশোকা স্যার ফজলেকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। তিনি এর মর্যাদাসূচক গ্লোবাল অ্যাকাডেমি ফর সোশ্যাল আন্ট্রপ্রেনিওরশিপ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিশন অন হেলথ রিসার্চ ফর ডেভেলপমেন্ট (১৯৮৭-৯০), ইন্ডিপেনডেন্ট সাউথ এশিয়ান কমিশন অন পভার্টি অ্যালিভিয়েশন (১৯৯১-৯২) এবং হাইলেভেল কমিশন অন লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট অব দ্য পুওর (২০০৫-২০০৮)-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্যার ফজলে ২০১০ সালে ব্রিটেনের রানী প্রদত্ত নাইটহুড মর্যাদা লাভ করেন। ২০১০ সালে জাতিসংঘ মহাসচিব কর্তৃক স্বল্পোন্নত দেশসমূহের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত পরামর্শদাতা দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০১৪ ও ২০১৭ সালে ফরচুন ম্যাগাজিন কর্তৃক স্যার ফজলে বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী ৫০ জন ব্যক্তিত্বের অন্যতম হিসেবে উল্লেখিত হন। স্যার ফজলে এ বছর (২০১৯) নেদারল্যান্ডের রাজা কর্তৃক নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র: Shariful Hasan সিনিয়র রিপোর্টার –প্রথম আলো

জাতীয় সংগীত- আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…

দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত কোনো গানকে রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলে জাতীয় সংগীত বলা হয়৷ বিশ্বের প্রতিটি দেশের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আছে সেই দেশের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর গৌরবগাঁথা৷ আমাদের জাতীয় সংগীতেরও আছে বর্ণাঢ্য অধ্যায়৷

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥

ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥

কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥ আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥

জাতীয় সংগীত- আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…

আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না। সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। এই বছরই ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের স্বাক্ষরে গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিল। তবে ৭ অগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিশিষ্ট রবীন্দ্রজীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫ অগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থা প্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিল।

আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল শিলাইদহের ডাক-পিয়ন গগন হরকরা রচিত আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে গানটির সুরের অণুষঙ্গে। সরলা দেবী চৌধুরানী ইতিপূর্বে ১৩০৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে তাঁর শতগান সংকলনে গগন হরকরা রচিত গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেছিলেন। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথের বঙ্গভঙ্গ-সমসাময়িক অনেক স্বদেশী গানের সুরই এই স্বরলিপি গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছিল। যদিও পূর্ববঙ্গের বাউল ও ভাটিয়ালি সুরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের পরিচিতি ইতঃপূর্বেই হয়েছিল বলে জানা যায়। ১৮৮৯-১৯০১ সময়কালে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে জমিদারির কাজে ভ্রমণ ও বসবাসের সময় বাংলার লোকজ সুরের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তা ঘটে। তারই অভিপ্রকাশ রবীন্দ্রনাথের স্বদেশী আন্দোলনের সমসাময়িক গানগুলি, বিশেষত আমার সোনার বাংলা।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন


Post navigation